কাঠ বাদাম ও কিসমিস খাওয়ার ৪০টি উপকারিতা
কাঠ বাদাম ও কিসমিস এই দুটি প্রাকৃতিক খাবার আমাদের দৈনন্দিন পুষ্টির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। স্বাস্থ্য সচেতন মানুষদের কাছে এগুলো সুপারফুড হিসেবে পরিচিত।
কারণ, অল্প পরিমাণে খেয়েই শরীর পায় প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও শক্তি। যারা প্রাকৃতিক উপায়ে শরীরের দুর্বলতা দূর করতে চান, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে চান এবং ত্বক ও চুলের যত্ন নিতে চান, তাদের জন্য কাঠ বাদাম ও কিসমিস হতে পারে দারুণ সমাধান।
বর্তমানে অনেকেই জানতে চান, কাঠ বাদাম ও কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা কী, কীভাবে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়, এবং প্রতিদিন কতটুকু খাওয়া উচিত। সঠিক নিয়মে এই দুটি খাবার গ্রহণ করলে হৃদরোগ, রক্তস্বল্পতা, হজমের সমস্যা, ত্বকের সমস্যা এমনকি স্মৃতিশক্তি দুর্বলতাও অনেকাংশে কমানো সম্ভব।
এই আর্টিকেলে আমরা বিস্তারিতভাবে জানবো কাঠ বাদাম ও কিসমিসের পুষ্টিগুণ, স্বাস্থ্য উপকারিতা এবং সঠিকভাবে খাওয়ার নিয়ম।
.
কিসমিসের উপকারিতা ও অপকারিতা
কিসমিস খাওয়ার বিভিন্ন উপকারিতা রয়েছে যা জানলে আপনারাও নিয়মিত কিসমিস খেতে শুরু করবেন। কিসমিসের পুষ্টিগুণ বলে শেষ করা যাবে না। আর এজন্য আপনাদের কিসমিসের উপকারিতা সম্পর্কে জানা উচিত। চলুন আমরা এখন কিসমিসের উপকারিতা জেনে নেই।
- কিসমিসের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিগুণ আর এই কিসমিস যদি আপনি পানিতে ভিজিয়ে খান তাহলে এটি আপনার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করবে এবং পেটের গ্যাস দূর করতেও সহায়তা করবে।
- আপনাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা শরীরের ওজন বাড়াতে চান অথবা শরীর সুস্থসম্মত রাখতে চান তাদের ক্ষেত্রে কিসমিস খাওয়া খুবই জরুরী। শরীরের সুস্থসম্মত ওজন বাড়াতে আপনারা কিসমিস খেতে পারেন।
- কিসমিসে রয়েছে গ্লুকোজ ও ফুকটোজ যা আপনার শরীরের শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে এবং কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ রেখে ওজন বাড়াতে সাহায্য করবে।
- এছাড়াও উচ্চ রক্তচাপ কমাতে বা নিয়ন্ত্রণ করতে আপনারা নিয়মিত কিসমিস খেতে পারেন। কারণ কিসমিসে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টিগুণ তার সাথে রয়েছে অধিক পরিমাণে পটাশিয়াম যেটি আপনার রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করবে।
আরো জানুনঃ
- তাছাড়া কিসমিস আপনার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করবে , কারণ এতে বিদ্যমান রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন , খনিজ লবণ সহ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যেটি আপনার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করবে।
- এছাড়াও আপনি যদি শান্তি মত ঘুমাতে চান এবং আপনার অনিদ্রা দূর করতে চান তাহলে নিয়মিত কিসমিস খেতে পারেন। এটি আপনার ঘুমকে আরো গভীর করে তুলবে।
- তাছাড়াও কিসমিস নিয়মিত খাবার ফলে আপনার শরীরের খারাপ কোলেস্টেরল দূর করতে পারবেন।
- শরীরের ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ করতে কিসমিস নিয়মিত খেতে পারেন। এতে আপনার শরীর সুস্থ থাকবে এবং ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকবে।
- তাছাড়াও আপনারা কিসমিস ভিজে খেতে পারেন এতে আপনার হজম শক্তি বেড়ে যাবে অর্থাৎ হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে।
তাহলে আশা করছি আপনারা কিসমিসের উপকারিতা সম্পর্কে জানতে পারলেন। চলুন এখন আমরা কাঠ বাদামের উপকারিতা গুলো জেনে আসি।
কাঠ বাদাম খাওয়ার উপকারিতা | কাঠ বাদাম ও কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা
আপনারা হয়তো সকলেই কাঠবাদাম খেয়ে থাকেন। আবার অনেকেই খেতে পছন্দ করেন না। তবে আপনি যদি কাঠ বাদামের উপকারিতা সম্পর্কে জানতে শুরু করেন তাহলে অবশ্যই এটি আজকে থেকে খাওয়া শুরু করবেন। কারণ এটি কিসমিসের পাশাপাশি প্রচুর পুষ্টিগুণ ও উপকারিতা দিয়ে থাকে।
- আপনারা যদি নিয়মিত কাঠ বাদাম খেতে শুরু করেন তাহলে আপনার শরীরের শক্তি বাড়াতে পারবেন এবং শরীরের হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে থাকে এটি।
- তাছাড়াও নিয়মিত কাঠ বাদাম খেলে শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। অর্থাৎ এটি শরীরের উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
- তাছাড়াও যারা হার্টের সুস্থ কামনা করেছেন তারা নিয়মিত কাঠ বাদাম খেতে পারেন। এটি আপনার হার্টকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করতে পারে।
- এছাড়াও কাঠবাদাম হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে পারে কারণ এতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম যা আপনার শরীরে হাটের সুস্থতা বজায় রাখতে পারে।তাছাড়াও হার্ট এটাকের ঝুঁকি পর্যন্ত প্রতিরোধ করতে পারে।
- আপনি যদি প্রতিদিন নিয়মিত নিয়ম অনুযায়ী পরিমিত মাত্রায় কাঠ বাদাম খান তাহলে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তবে অতিরিক্ত খেলে এতে থাকা ফ্যাট আপনার ওজন বৃদ্ধি করে দিতে পারে। তাই ওজন নিয়ন্ত্রণে কাঠবাদাম খান।
- তাছাড়াও আপনাদের যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা রয়েছে তারা কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে কাঠ বাদাম নিয়মিত খেতে পারেন। বিশেষ করে কাঠ বাদাম ভিজিয়ে খেলে বেশি উপকার পাওয়া যায়।
- বাচ্চাদের ও বড়দের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়াতে নিয়মিত কাঠ বাদাম খেতে পারেন। শিশুদের বাড়ন্ত বয়সে খাওয়ানো উচিত তাহলে তাদের বুদ্ধির দ্রুত বিকাশ হবে।
- তাছাড়াও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে থাকে। এটি আপনার শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
- কাঠবাদামের হয়েছে ভিটামিন ই সহ বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন যা আপনার শরীরকে সুস্থ রাখতে এবং ভালো রাখতে সহায়তা করতে পারে। তাছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যেতে পারে।
তাহলে আপনারা হয়তো এতক্ষণে কাঠ বাদামের উপকারিতা গুলো জেনে গেলেন। এখন থেকে আপনারা নিয়মিত কাঠ বাদাম ও কিসমিস খাওয়া শুরু করুন তাহলে আপনার সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে এবং বিভিন্ন রোগবালি থেকে রক্ষা পাবেন।
কিসমিসের অপকারিতা
আপনারা তো কিসমিসের উপকারিতা গুলো জেনেছেন তবে অবশ্যই কিসমিসের অপকারিতা জানা উচিত। কারন কিসমিস যদি আপনি অধিক পরিমাণে খান তাহলে এটি আপনার ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
তাই আপনাদের কিসমিসের উপকারিতা ও অপকারিতা জেনে রাখতে হবে। বিশেষ করে কিসমিসের ক্ষতিকর দিকগুলো জানা উচিত।
- যাদের কিসমিসে এলার্জি রয়েছে তারা কিসমিস খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন। তবে এটি কিছু কিছু ব্যক্তির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। কারণ এলার্জি একটি শারীরিক সমস্যা এটি সবার হয় না।
- তাছাড়াও অধিক পরিমাণে কিসমিস খাওয়ার ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে। কারণ কিসমিসের রয়েছে গ্লুকোজ চিনি জাতীয় উপাদান এটি অধিক খেলে ডায়াবেটিস বেড়ে যেতে পারে।
- সঠিক পরিমাণ কিসমিস খেলে ওজন কমাতে সাহায্য করে তবে অতিরিক্ত মাত্রায় কিসমিস আপনার ওজন বাড়িয়ে দিতে পারে।
- তাছাড়াও অধিক কিসমিস খাওয়ার ফলে আপনার হজমে সমস্যা হতে পারে। তাই যাদের আগে থেকে হজমে সমস্যা রয়েছে তারা কখনোই অতিরিক্ত পরিমাণ কিসমিস খাবেন না।
- এছাড়াও অধিক পরিমাণে কিসমিস খাওয়ার ফলে অনেকেরই শ্বাস কষ্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে। আর বিশেষ করে যাদের শ্বাসকষ্টের সমস্যা আগে থেকে আছে তারা খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।
- কিসমিসের অধিক পরিমাণে খাওয়ার ফলে ডায়রিয়া পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। আবার অনেক সময় অনেকের বমি বমি ভাব হয়। তাই সঠিক পরিমাণে গ্রহণ করুন।
- তাছাড়াও কিসমিস অতিরিক্ত মাত্রায় খেলে পেট ব্যথা , পেটে গ্যাস ও এসিডিটি পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। তাই সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করুন।
আশা করছি আপনারা কিসমিসের উপকারিতা ও ক্ষতিকর দিক জানতে পারলেন। এখন আপনাদের অবশ্যই কাঠ বাদামের ক্ষতিকর দিক ও উপকারিতা জানা উচিত।
কাঠবাদামের ক্ষতিকর দিক
আপনারা উপরে কাঠবাদামের উপকারিতা সম্পর্কে জেনেছেন। তবে এখন আমরা কাঠ বাদামের অপকারিতা অর্থাৎ কাঠবাদামের ক্ষতিকর দিক জেনে নেই।।
- কাঠ বাদাম সাধারণত অধিক পরিমাণে খাওয়ার ফলে কোষ্ঠকাঠিন্য সমস্যা দেখা দিতে পারে আবার হজমেও সমস্যা দেখা দিতে পারে।
- তাছাড়াও কাঠ বাদাম যদি অধিক মাত্রায় খেয়ে ফেলেন তাহলে অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যেতে পারে। সঠিক মাথায় খেলে ওজন কমানো যায় তবে বেশি খেলে ওজন বেড়ে যাবে।
- কাঠবাদাম অধিক পরিমাণ খেলে অনেকের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি বমি ভাব দেখা দিতে পারে।
- যারা সরাসরি কাঠবাদাম খেতে পারেন না তারা কাঠ বাদাম ভিজিয়ে খেতে পারেন।
- এছাড়া অনেকের কাঠ বাদামে এলার্জি থাকতে পারে। এলার্জি থাকলে কাঠবাদাম খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
তাছাড়াও আরো কিছু ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। যেগুলো আপনারা অধিক মাত্রায় খেলেই বুঝতে পারবেন। তাই আপনারা সঠিক মাত্রায় খান এবং সুস্থ থাকুন।
কিসমিস খাওয়ার নিয়ম
আপনারা অনেকভাবে কিসমিস খেতে পারেন। চলুন আমরা সেই কিসমিস খাওয়ার নিয়ম জেনে আসি। যদি সঠিক নিয়মে কিসমিস খান তাহলে এর থেকে বেশি উপকার পাবেন।
- কিসমিস আপনারা সরাসরি খেতে পারেন আবার পানিতে ভিজিয়ে খেতে পারেন।
- তাছাড়াও কিসমিস আপনি পায়েশ , সেমাই , হালুয়া সহ বিভিন্ন সুস্বাদু খাবারের সাথে রান্না করে খেতে পারেন।
- আপনারা কিসমিস রাতে ভিজিয়ে সকালে খালি পেটে খেতে পারেন এতে ভালো উপকার পাওয়া যায়।
- কিসমিস আপনারা সরাসরি শুকনো অবস্থায় খেতে পারেন। তবে খাওয়ার আগে কিসমিস ভালোভাবে ধুয়ে নিবেন অর্থাৎ পরিষ্কার করে নিবেন। তারপর খাবেন।
- আপনার নিয়মিত ৫ থেকে ৬টি কিসমিস খেতে পারেন। তবে বেশি খাওয়ার দরকার নেই।
তাহলে আপনারা হয়তো কিসমিস খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে গেলেন। তাছাড়া ও কিসমিস প্রতিদিন কয়টা করে খেতে হয় সেটাও জানতে পারলেন।
সকালে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা
আপনারা হয়তো এখন সকালে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা ও কিসমিস ভিজিয়ে খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানতে এসেছেন। আমরা এই অংশে সকালে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা কি ও ভিজিয়ে খেলে কি হয় এ সম্পর্কে আলোচনা করব।
- সকালে কিসমিস খাওয়ার ফলে আপনার শরীরে আয়নের ঘাটতি পূরণ হতে পারে এবং রক্তের লাল কণিকার পরিমাণ বেড়ে যেতে পারে।
- তাছাড়া ও কিসমিস সকালে খাওয়ার ফলে আপনার হৃদপিণ্ড ভালো থাকবে অর্থাৎ সুস্থ সবল সহায়তা করতে পারে।
- এছাড়া কিসমিস সকালে ভিজিয়ে খেলে শরীরের রক্ত পরিষ্কার হয়ে যায় অর্থাৎ শরীরের রোগ বালাই দূর করা যায়।
- প্রতিদিন সকালে ভিজিয়ে রাখা কিসমিস খেলে শরীরের শক্তি যোগান হয় এবং কোষ্ঠকাঠিন্য ও পেটের গ্যাস দূর করা যায়।
- তাছাড়া নিয়মিত প্রতিদিন সকালে কিসমিস খেলে শরীরে কোলেস্টেরল মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
- কিসমিসের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন সাথে রয়েছে এক প্রকার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা আপনার শরীরকে রোগব্যাধি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করতে পারে।
- তাছাড়া ও কিসমিস খাওয়ার ফলে জানা গেছে দাঁত ভালো থাকে অর্থাৎ দাঁত মজবুত থাকে এবং হাড় গঠনে সহায়তা করে থাকে।
আশা করছি আপনারা সকলে খালি পেটে কিসমিস খাওয়ার উপকারিতা গুলো জেনেছেন।
কাঠবাদাম খাওয়ার নিয়ম
কাঠ বাদাম খাওয়ার তেমন নিয়ম নেই আপনি এটি যে কোন সময় খেতে পারেন। তবে পরিমাণ মতো খেতে হবে। কাঠ বাদাম আপনি সরাসরি খেতে পারেন আবার পানিতে ভিজিয়ে রেখে খেতে পারেন।
আপনি চাইলে প্রতিদিন রাতে কাঠ বাদাম পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেতে পারেন এতে বেশ ভালো উপকার পাওয়া যায়। তাছাড়াও নিয়মিত আপনি প্রতিদিন ৮ থেকে ১০ টি কাঠবাদাম খেতে পারেন।
বেশি খাওয়ার চেষ্টা করবেন না এতে আপনার ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যা আপনার উপরে কাঠবাদামের ক্ষতিকর দিক অংশে জেনে এসেছেন।
উপসংহার
কাঠ বাদাম ও কিসমিস শুধু সাধারণ শুকনো ফল নয়, বরং এগুলো প্রাকৃতিক পুষ্টির এক অনন্য উৎস। নিয়মিত এবং পরিমিত পরিমাণে এই দুটি খাবার খেলে শরীর থাকে সতেজ, শক্তিশালী ও রোগমুক্ত।
বিশেষ করে যারা দুর্বলতা, রক্তস্বল্পতা, হজম সমস্যা, ত্বক ও চুলের সমস্যা কিংবা স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার সমস্যায় ভুগছেন, তাদের জন্য এটি অত্যন্ত কার্যকর একটি খাদ্যাভ্যাস হতে পারে।
তবে যেকোনো খাবারের মতোই অতিরিক্ত না খেয়ে সঠিক নিয়ম মেনে খাওয়াই ভালো। প্রতিদিন ভেজানো কাঠ বাদাম ও কিসমিস খাওয়ার অভ্যাস আপনার জীবনযাত্রায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে।
সুতরাং, সুস্থ থাকতে চাইলে আপনার দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় আজ থেকেই যোগ করুন কাঠ বাদাম ও কিসমিস।
.jpg)