পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন (ভাবসম্প্রসারণ)

 প্রিয় পাঠক আপনারা নিশ্চয়ই পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন ভাবসম্প্রসারণ টি সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন। তাই আজকের পোস্টটিতে আমরা আপনাদের জন্য পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন ভাবসম্প্রসারণটি তুলে ধরার চেষ্টা করব।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন, নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন
ভাব সম্প্রসারণটি সম্পর্কে পড়তে ও জানতে আমাদের পোস্টটি মনোযোগ সহকারে পড়তে থাকুন।

পরের অনিষ্ট চিন্তা করে যেই জন
নিজের অনিষ্ট বীজ করে সে বপন

ভাব-সম্প্রসারণঃ অন্যের ক্ষতি করার চেষ্টা করলে, নিজেকেই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। তাই কারো ক্ষতি করা উচিত নয়।মানুষ সামাজিক জীব। 

সমাজে মানুষ পরস্পরের সহযোগী হয়ে বাস করে। একে অপরের কল্যাণ সাধন করাই মানুষের মানবিক ও নৈতিক ধর্ম। পৃথিবীর অন্যান্য প্রাণী থেকে মানুষের পার্থক্য হল-মানুষ শুধু নিজের কথাই চিন্তা করে পৃথিবীতে বেঁচে থাকে না। মানুষকে তার চারপাশের জগৎ নিয়েও ভাবতে হয়। 
যে মানুষ সর্বদা অন্যের উপকার করার কথা ভাবে এবং নিজেকে সর্বদা অন্যের হিতার্থে ব্যাপৃত রাখে সে সমাজে সম্মানিত হয়। 

অপরপক্ষে যে ব্যক্তি সবসময় অন্যের ক্ষতির চিন্তা করে সে সবসময় হীনম্মন্যতায় ভোগে। অন্যের অনিষ্ট করার চিন্তা করতে করতে তার মন ছোট হয়ে যায়। 

ফলে কখনও সে আর ভালো কিছু চিন্তা করতে পারে না। এমনকি নিজের ভালোর কথাও সে ভাবতে পারে না। খারাপ চিন্তার কারণে চিত্তে শুদ্ধি আসে না বলে আপন কর্মক্ষেত্রেও সে উন্নতি করতে পারে না। 

পার্থিব কর্মের ফল মানুষ কোনো না কোনোভাবে পৃথিবীতেই পেয়ে যায় বলে এ ধরনের ব্যক্তিকে নিজ জীবনেই ক্ষতির সম্মুখীন হতে হয়। বিশ্বের মহৎ ব্যক্তিরা সবসময় অপরের কল্যাণ চিন্তা করেছেন। 

যেমন- মহানবী (স) সর্বদা তার উম্মত এর কল্যাণের জন্য চিন্তা করেছিলেন। “পরার্থে জীবন" এই মহান বাক্যে তারা সর্বদা ছিলেন নিবেদিত। কখনোই অপরের ক্ষতি করার চিন্তা করাও উচিত নয়। বরং পরের স্বার্থে নিজের জীবন বিলিয়ে দিলেই জীবন সুন্দর ও সার্থক হবে।
Next Post Previous Post
No Comment
Add Comment
comment url