চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম
বর্তমানে নারী-পুরুষ সবার মধ্যেই চুল পড়া একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। স্ট্রেস, পুষ্টির অভাব, দূষণ, হরমোনের পরিবর্তন কিংবা ভুল চুলের যত্ন সব মিলিয়ে অল্প বয়সেই অনেকের চুল পাতলা হয়ে যাচ্ছে।
এই সমস্যা সমাধানে চুল পড়া বন্ধ করার তেল একটি প্রাকৃতিক ও কার্যকর উপায় হিসেবে পরিচিত।এই আর্টিকেলে আমরা জানবো চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম, উপকারিতা এবং ব্যবহার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত।
চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম
আমরা যেমন শরীরের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতিনিয়ত পুষ্টিকর খাবার খায়, তেমনি ভাবে চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখতে অনেক সময় তেল ব্যবহার করতে হয়। বিশেষ করে যাদের চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে অবশ্যই তেল ব্যবহার করতে হবে।
কিছু তেল ব্যবহার করার মাধ্যমে চুল পড়া রোধ করা যায়। চুল পড়া বন্ধ করতে চাইলে আপনাদের অবশ্যই চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম সম্পর্কে জানতে হবে। চুল বন্ধ করার তেলের সাধারণত বিভিন্ন ধরনের পুষ্টিকর উপাদান থাকে,
আরো জানুনঃ গরম ভাতে ঘি খাওয়ার উপকারিতা
আরো জানুনঃ বয়লার মুরগির ডিমের ক্ষতিকর দিক
যার কারণে চুল পড়া রোধ হয়, চুলের গোড়া মজবুত হয় এবং নতুন চুল গজাতে থাকে। বর্তমানে বাজারে বিভিন্ন ধরনের তেল পাওয়া যায় যেগুলো সাধারণত তেমনভাবে কোন কাজে আসে না।
তবে আপনারা চিন্তিত হবেন না কারণ আজকের এই অংশে আমরা কিছু চুল পড়া বন্ধ করার ভালো মানে তেলের নাম তুলে ধরব। এবার আর কথা না বাড়িয়ে জেনে নেওয়া যাক চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম।
- Bergamot oil
- Lotus Onion Hair oil Indian
- Rosemary oil
- Indulekha oil Indian
- ট্রাইফোলা হেয়ার ট্রিটমেন্ট অয়েল
- পেঁয়াজের হেয়ার তেল (ভেষজ)
- Himalaya Anti Breakage Hair oil Indian
- Lemongrass oil
- Cedar wood oil
- Delight Olive oil
- হেয়ার গ্লো অয়েল
- জ্যাক অলিভ অয়েল
- এক্সপার্ট হেয়ার কেয়ার তেল
- আমলকি হেয়ার তেল
- Kesh King oil
- Keshori Hair oil
- Tibet Hair oil
- Medicated oil
উপরের দেওয়া লিস্টে আমরা কিছু ভালো ব্যান্ডের ও কোম্পানির চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম তুলে ধরেছি। উক্ত তেল গুলো ব্যবহার করলে চুল পড়া রোধ হবে।
তাছাড়া ও এসব তেল ব্যবহারের পজিটিভ রিভিউ পাওয়া গেছে। তবে আপনার অবশ্যই তেল গুলো ব্যবহার করার পূর্বে ভালো কোন হেয়ার এক্সপার্ট এর কাছ থেকে পরামর্শ ও দেখিয়ে নিবেন। নিচে আমরা আরো কিছু ভালো মানের চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
ন্যাচারাল রোজমেরি এবং হেনা হেয়ার অয়েলঃ আপনারা এই তেলটি চুল পড়া রোধ করতে ব্যবহার করতে পারেন। এটি আপনার রক্তনালী প্রসারিত করবে এবং কোষের সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন চুল গজাতে সাহায্য করবে।
তাছাড়াও এই তেল মাথায় কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে পুষ্টি জোগাতে সাহায্য করে। উক্ত তেল ব্যবহারে মাথার চুল ঘন করা যায়। আপনারা এই তেল নারিকেল তেলের সাথে ৪ থেকে ৫ ফোটা মিশিয়ে মাথার চুলে ব্যবহার করতে পারেন।
১৫ থেকে ২০ মিনিট পর তেলটি মাথায় শুকিয়ে গেলে শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলবেন। এভাবে এক মাসের মতো ব্যবহার করলে চুল পড়া অনেকটা কমে আসবে।
লেমনগ্রাস ন্যাচারাল অয়েলঃ মাথায় চুলে খুশকি দূর করতে এই তেল অধিক কার্যকরী। আপনারা যদি চুলের খুশকি দূর করতে চান তাহলে অবশ্যই এই তেলটি ব্যবহার করতে পারেন।
তাছাড়া এটি চুল পড়া রোধ করে। আপনারা হয়তো জানেন মাথার চুলে বেশি খুশকি হলে চুল পড়ে যায়। তাহলে বুঝতে পারছেন খুশকি দূর করতে পারলে চুল পড়া অনেকটা কমে আসবে।
এজন্য আপনারা এই তেল নিয়ম অনুযায়ী ব্যবহার করতে পারেন। আপনার ব্যবহৃত যে কোন শ্যাম্পু অথবা কন্ডিশনার এর সাথে চার থেকে ৫ লেমনগ্রাস অয়েল মেশিয়ে চুলে ব্যবহার করবেন। এভাবে নিয়মিত ব্যবহার করলে চুলের খুশকি দূর হয়ে যাবে এবং চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা সমাধান হবে।
সোলফ্লাওয়ার অলিভ অয়েলঃ চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদান যেমনঃ ভিটামিন ই , ভিটামিন কে, ভিটামিন ডি ইত্যাদি প্রয়োজন হয়।
এইসব উপাদানগুলো এই তেলের মধ্যে বিদ্যমান রয়েছে। তাই এই তেল যদি ব্যবহার করা হয় তাহলে চুলের উজ্জলতা বৃদ্ধি পাবে এবং চুল পড়া রোধ হবে।
এই তেল ব্যবহারে চুল মজবুত হয় , নতুন চুল গজাতে থাকে এবং চুলের রুক্ষতা ভাব দূর হয়ে থাকে। মাথায় চুলের পরিমাণ বৃদ্ধিতে এই তেল নিয়মিত ব্যবহার করতে পারেন। তবে ব্যবহার করার পূর্বে একজন হেয়ার এক্সপার্ট এর কাছে থেকে দেখিয়ে নিবেন।
বায়ো অর্গানিক গ্রোআউট হেয়ার অয়েলঃ আপনাদের মধ্যে ছেলে-মেয়ে উভয়ই এই ধরনের তেল ব্যবহার করতে পারবে।
এই তেলে বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক ভেষজ উপাদান উপস্থিত থাকায় চুল মজবুত করে এবং চুল গজাতে সাহায্য করে থাকে।
চুলের শিকড় মজবুত করে থাকে যার ফলে চুল পড়া কমে এবং চুল আগের থেকে ঘন দেখায়। প্রতিদিন এই তেল ব্যবহার করলে চুলের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনা যায়।
আশা করছি আপনারা চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম গুলো সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পেরেছেন। এবার সেই তেল গুলো নিয়মিত ব্যবহার করে চুল পড়ার সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।
তবে আমি একটা কথা বলে রাখবো আপনারা তেল গুলো অবশ্যই আসল এবং অরিজিনাল দেখে কিনবেন।
কারণ একই নামে অনেক ধরনের নকল তেল বের হয়েছে, সেই তেল কেনা থেকে সাবধান থাকবেন। আর যেকোন তেল ব্যবহার করার পূর্বে হেয়ার এক্সপার্ট এর পরামর্শ নিবেন।
চুল পড়ার কারণ
আপনাদের শুধু চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম সম্পর্কে জানলেই হবে না, চুল পড়ার কারণ সম্পর্কেও জেনে রাখতে হবে। কারণ চুল পড়ার কারণগুলো জেনে রাখলে আপনারা আগে থেকেই সাবধানতা অবলম্বন করতে পারবেন।
যার ফলে কোনরকম তেল ব্যবহার করা ছাড়াই চুল পড়া রোধ করতে পারবেন। চলুন আর কথা না বাড়িয়ে চুল পড়ার কারণগুলো জেনে আসি।
- বেশিরভাগ ক্ষেত্রে জেনেটিক্স কারণে সবার চুল পড়ে থাকে। আপনার পরিবারে যদি কোন ব্যক্তির চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা আগে থেকে হয়ে থাকে, তাহলে সে ক্ষেত্রে আপনার চুল পড়া সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। মূলত পরিবারের কারো চুল পড়ার সমস্যা হয়ে থাকলে সেটি আপনার পরবর্তীতে হতে পারে।
- আবার হরমোন জনিত কারণে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় ও থাইরয়েড জনিত রোগ হয়ে থাকলে চুল পড়া সমস্যা হতে পারে।
- খাদ্য তালিকায় পুষ্টিকর খাবার না থাকার কারণে চুল পড়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাছাড়া ভিটামিন, খনিজ লবণ ও প্রোটিন জাতীয় পুষ্টিকর খাবার না খাওয়ার কারণে চুল পড়ে যেতে পারে।
- চুলে খুশকি হয়ে থাকলে অথবা চুলে ছত্রাক জনিত সংক্রমণ দেখা দিলে চুল পড়া সমস্যা আরো বেড়ে যেতে পারে। এজন্য সবসময়ই চুল খুশকি মুক্ত রাখবেন।
- তাছাড়াও মানসিক চাপ ও অপুষ্টি কারণে চুল পড়ে যেতে পারে। আবার বংশগত কারণেও চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয়।
- আমাদের মধ্যে অনেকে আছে যারা চুলে তাপ দিয়ে স্টাইল করে থাকে, বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ চুল টানটান অথবা স্টাইল করলে চুল পড়ে যাওয়া সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষত এই কারণে চুল বেশি পড়ে গিয়ে থাকে।
- এছাড়াও জানা গেছে সূর্যের ক্ষতিকর UV রশ্নি চুলের ক্ষতি করতে পারে। এই ক্ষতিকর রশ্মি চুল ভঙ্গুর করে দিতে পারে যার ফলে চুল পড়ার হার বেড়ে যায়।
- চুল পড়ার আরেকটি অন্যতম কারণ হলো সঠিক তেল ব্যবহার না করা। আমরা যেমন শরীরের জন্য পুষ্টিকর খাবার খায়, ঠিক তেমনভাবে চুলের পুষ্টির জন্য তেল ব্যবহার করতে হয়। অনেকেই ভুলভাল তেল ব্যবহার করে চুলের স্বাস্থ্য খারাপ করে ফেলে। এজন্য সঠিক তেল ব্যবহার করতে হবে।
- যারা চুলে খোপা করেন তারা অবশ্যই সঠিকভাবে চুল খোপা করবেন। আর বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন চুল কখনোই টাইট করে বাঁধবেন না। এতে করে চুলের মজবুত কমে যায় এবং চুল পড়তে থাকে।
- বিভিন্ন ধরনের মেডিসিন ও স্টেরাইজ জাতীয় ওষুধ গ্রহণ করার ফলে চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিয়ে থাকতে পারে। এজন্য অবশ্যই যেকোন ধরনের মেডিসিন খাওয়ার পূর্বে ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।
প্রিয় পাঠক আমরা আপনাদের জন্য চুল পড়ার কারণগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছি। এখন আপনারা সেগুলো ভালো করে পড়ে সতর্কতা অবলম্বন করুন। একমাত্র সতর্কতা অবলম্বন করার মাধ্যমেই আপনি চুল পড়া রোধ করতে পারবেন।
চুল পড়া বন্ধ করার প্রাকৃতিক উপায়
আপনারা তেল ব্যবহার করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক উপায়ে চুল পড়া বন্ধ করতে পারবেন। আপনাদের শুধু সেই উপায় গুলো সম্পর্কে ভালোভাবে ধারণা রাখতে হবে। এবার আর কথা না বাড়িয়ে চুল পড়া বন্ধ করার প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপায় গুলি জেনে নেই।
বাদামঃ চুল পড়া বন্ধ করতে আপনি বাদাম খেতে পারেন। সেটা যে কোন ধরনের বাদাম হতে পারে। কারণ এই বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাট এবং ওমেগা ৬।
যা চুলের গোড়া শক্ত করতে এবং চুল লম্বা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এজন্য নিয়মিত ওমেগা ৬ ও ফ্যাট যুক্ত খাবার খেতে হবে। কারণ ওমেগা ৬ আমাদের দেহে সরাসরি উৎপন্ন হয় না,
এটি খাবারের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হয়। আর এই ওমেগা ৬ এর অভাবে মাথার চুল পড়ে যেতে পারে। এজন্য প্রতিদিনের খাবার তালিকায় যেকোনো ধরনের বাদাম রাখার চেষ্টা করুন।
হলুদ সবজি ও ফলমূলঃ চুলের যত্নে হলুদ শাকসবজি খেতে পারেন। যেমন, মিষ্টি আলু, গাজর, আম, পেঁপে এবং মিষ্টি কুমড়া। এগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এ।
চুলের গোড়া ঠিক রাখতে সাহায্য করে। চুল মজবুত রাখতেও সাহায্য করে থাকে এই ফলমূল ও শাকসবজিতে থাকা ভিটামিন গুলো। তাই ভিটামিনযুক্ত শাকসবজি ও রঙিন ফলমূল প্রতিদিন খেতে হবে।
সামুদ্রিক মাছঃ আপনারা হয়তো জানেন সামুদ্রিক মাছে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে। সাধারণত তৈলাক্ত জাতীয় মাছ চুল ঘন এবং কালো করতে সাহায্য করে। তাছাড়াও এটি হলো প্রোটিনের একটি বড় উৎস।
ডিমঃ সুন্দর চুলের জন্য ডিম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কারন আমাদের চুলগুলো শর্করা এবং ফ্যাট থেকে তৈরি হয় না। চুলের প্রায় পুরোটাই প্রোটিন নিয়ে গঠিত। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন যা আমাদের চুল পড়া বন্ধ করতে সাহায্য করতে পারে।
পালং শাকঃ চুলের উপকারে পালং শাক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পালং শাকে চারটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে যা আমাদের চুলকে ভিটামিন সি, আইরন,ভিটামিন এ, ফলেট যোগায়। পালং শাক আমাদের চুলকে ঘন কালো এবং সুন্দর করে তোলে।
ডালঃ চুলের স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য আপনারা নিয়মিত ডাল খেতে পারেন। কারণ ডালে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও আমিষ যা চুল ঘন রাখতে ও চুল কালো রাখতে সাহায্য করে থাকে।
তাছাড়া ডালে থাকা আয়রন চুলের গোড়ায় অক্সিজেন পৌঁছাতে সহায়তা করে থাকে। যার ফলে চুলের গোড়া মজবুত হয়। এছাড়াও জানা গেছে শরীরে আয়রনের অভাব থাকলে চুল পড়া সমস্যা হয়ে থাকে। আর আপনারা অবশ্যই ঘন ডাল খাবেন, কারণ ঘন ডালে পুষ্টি বেশি পাওয়া যায়।
ছোলাঃ আপনারা কি জানেন চুল ঘন রাখতে এবং চুল মজবুত করতে ছোলা ভালো কাজ করে থাকে। কারণ ছোলাতে চুলের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর উপাদান যেমনঃ জিংক , আয়রন ও প্রোটিন উপস্থিত রয়েছে যার কারণে চুল ঘন কালো হয়ে থাকে এবং চুল গজাতে শুরু করে।
টক ফলঃ টক ফলের মধ্যে রয়েছে কমলা, মালটা এবং লেবু ইত্যাদি ফল। এগুলোতে ভিটামিন সি আছে। চুল সুন্দর করতে ভিটামিন সি এর গুরুত্ব অপরিসীম। সাধারণত ভিটামিন সি এর অভাবে চুল বেঁকিয়ে অথবা পেঁচিয়ে যেতে পারে। এজন্য নিয়মিত ভিটামিন সি জাতীয় টক ফল গুলো খেতে পারেন।
আমরা আপনাদের জন্য এখানে কিছু চুল পড়া বন্ধ করার প্রাকৃতিক উপায় গুলো সম্পর্কে তুলে ধরেছি। আপনারা উপরোক্ত উপায় গুলো অবলম্বন করে চুল পড়া রোধ করতে পারবেন। তবে আপনাদের অবশ্যই ধৈর্য সহকারে উপায় গুলো অনুসরণ করে যেতে হবে।
চুল পড়া বন্ধ করতে তেল ব্যবহারের সঠিক নিয়ম
- সপ্তাহে ২–৩ দিন তেল ব্যবহার করুন
- তেল হালকা গরম করে মাথার ত্বকে লাগান
- আঙুল দিয়ে ৫–১০ মিনিট ম্যাসাজ করুন
- কমপক্ষে ১ ঘণ্টা বা রাতভর রেখে ধুয়ে ফেলুন
- মাইল্ড শ্যাম্পু ব্যবহার করুন
উপসংহারঃ চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম
চুল পড়া পুরোপুরি বন্ধ করা একদিনে সম্ভব নয়, তবে সঠিক তেল ও নিয়মিত যত্ন নিলে চুল পড়া অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।
উপরে উল্লেখিত চুল পড়া বন্ধ করার তেলের নাম গুলো প্রাকৃতিক ও নিরাপদ, যা দীর্ঘমেয়াদে চুলকে শক্ত, ঘন ও স্বাস্থ্যবান করতে সাহায্য করে। আপনি চাইলে আপনার চুলের ধরন অনুযায়ী যেকোনো একটি বা একাধিক তেল বেছে নিতে পারেন।
